বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগুনে খোকন ফকির, মহিদ খলিফা, ছত্তর আকনের মালিকানাধীন তিনটি লেপ-তোশকের দোকান, আশরাফ মিয়ার মাইক-ব্যাটারির দোকান ও সেরজন হাওলাদারের স্যানিটারিসামগ্রীর দোকান পুড়ে গেছে। এ ছাড়া পাশে অবস্থিত মুক্তনগর মাদ্রাসার দুটি কক্ষও আংশিকভাবে পুড়ে গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল লতিফ বলেন, মাইকের দোকানের ভেতরে আগুন জ্বলতে দেখেই তিনি ৯৯৯ নম্বরে কল করেছিলেন। আগুন যেভাবে লেগেছিল, তাতে সেখানকার সব দোকানপাট পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে স্থানীয় লোকজনের পরিশ্রম ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ প্রচেষ্টায় আগুন বেশি ছড়াতে পারেনি।

পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাজীব মাহামুদ কাওসার প্রথম আলোকে বলেন, পুরান বাজারে গত ১০ বছরে এ ধরনের ভয়াবহ আগুন কেউ দেখেনি। আগুন আর কিছু সময় স্থায়ী হলে পুরো এলাকা পুড়ে ছাই হয়ে যেত। আগুনে পাঁচটি দোকানে প্রচুর ক্ষতি হয়েছে, মালামাল সব পুড়ে গেছে।

default-image

মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, আগুনের খবর পাওয়ার পরপরই মাদারীপুরের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি দেখে শরীয়তপুর ফায়ার সার্ভিসকেও খবর দেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই মাইকের দোকানে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ব্যবসায়ীদের হিসাবে দুই কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। তবে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, আগুনের সময় স্থানীয় প্রচুর মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেছিল। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের একটু সময় লাগে। পরে রাত ১২টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন