বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্রে করে কুতুবপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিক মাতবরের সঙ্গে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ব্যাপারীর বিরোধ চলে আসছে। গতকাল সন্ধ্যায় ইউনিয়নের মফিজউদ্দিন মোড়লেরকান্দি এলাকার একটি মসজিদে মাগরিবের নামাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন আতিক মাতবরের সমর্থক মিরাজ আকন। তাঁর গতিরোধ করে মনোয়ারের ছোট ভাই তুষার ব্যাপারী লোকজন নিয়ে মিরাজকে মারধর করেন। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে নয়জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত হয়েছেন অপর ছয়জন।

কুতুবপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আতিক মাতবর বলেন, ‘সামনে ইউপি নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই মূলত দ্বন্দ্ব। মনোয়ারের ভাই তুষার ব্যাপারী আমার লোকজনের ওপর গুলি চালিয়েছে। গুলিবিদ্ধ সবাই আমাদের লোকজন।’

অভিযোগের বিষে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার ব্যাপারী বলেন, ‘আমার ভাই তাদের কোনো গুলি করেনি। নির্বাচন নিয়ে তারা নিজেরা দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়েছ।’

পুলিশ জানায়, তুষার ব্যাপারী ও মনোয়ার ব্যাপারীর লাইসেন্সধারী বন্দুক আছে। তাঁরা দুজনই গুলি ছুড়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ মনোয়ার ব্যাপারীসহ চারজনকে আটক করেছে। তবে আজ রোববার সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, সংঘর্ষ ও উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। এ সময় একটি মার্কেটেও ভাঙচুর চালানো হয়। উভয় পক্ষের বেশ কিছু লোক আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুলিবিদ্ধ পাঁচজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন