বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় ঝাউদি ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হায়দার কাজীর কর্মী-সমর্থকেরা মাদ্রাসা এলাকায় প্রচারণা শেষে মিছিল নিয়ে তালতলা বাজার হয়ে শহরের দিকে আসছিলেন। একই সময় তালতলা বাজারে আরেক প্রার্থী ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাওলাদার নির্বাচনী সভা করছিলেন। এ সময় দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মুখোমুখি অবস্থানকে কেন্দ্র করে প্রথমে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এ সময় আবুল হাওলাদারের নির্বাচনী ক্যাম্প এবং হায়দার কাজী সমর্থকদের বহরে থাকা মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি ও পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে সময় উভয় পক্ষের লোকজন আহত হন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

default-image

হায়দার কাজী অভিযোগ করেন, ‘আমরা মিছিল নিয়ে ফেরার পথে আবুল চেয়ারম্যানের লোকজন আমার লোকজনকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পরে প্রশাসনকে দেখানোর জন্য আবুল চেয়ারম্যান তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। আবুল চেয়ারম্যান সঠিকভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে দেবেন না। জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করাই এখন তাঁর কাজ।’

অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে আবুল হাওলাদার বলেন, নির্বাচনের মনোনয়ন জমার পর থেকে হায়দার কাজী প্রতিদিন বহিরাগত উচ্ছৃঙ্খল লোকজন নিয়ে এলাকায় মহড়া দিচ্ছেন। গতকাল এ মহড়া দিয়ে ফেরার পথে হায়দার কাজীর লোকজন বিনা উসকানিতে তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্পের সামনে এসে ভাঙচুর চালায় ও তাঁর কর্মীদের মারধর করেছে।

মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষ লেগেই আছে। প্রচারণা শুরুর দিনেও সেটা বাদ যায়নি। গতকাল সংঘর্ষের খবর পেয়েই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

প্রসঙ্গত, তৃতীয় ধাপে ২৮ নভেম্বর মাদারীপুর সদর উপজেলার ১৪টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন