default-image

টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৮৭ ও ৬টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৩ জন মিলে মোট ১২০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এসব কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে ৫৫ জনই মাধ্যমিকের গণ্ডি পার হতে পারেননি।

তারা কেউ স্বশিক্ষিত, স্বাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন, পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। বাকি ৬৫ প্রার্থীর মধ্যে ৪৬ জন এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায় পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে। পৌরসভাটিতে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা আগামী ৩০ জানুয়ারি। প্রার্থীদের হলফনামা অনুযায়ী, বাকি ৬৫ জনের মধ্যে ২৯ জন এসএসসি, ১৭ জন এইচএসসি, ১৫ জন স্নাতক ও ৪ জন স্নাতকোত্তর পাস।

মাধ্যমিকের গণ্ডি পার হতে না পারা প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫ জন প্রার্থী আছেন ১২ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনজন করে ৮ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে, দুজন করে ২, ৩, ৪, ৫, ৯, ১০, ১৪, ১৫, ১৭, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে এবং একজন করে ৬, ৭, ১১ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে।

সংরক্ষিত ওয়ার্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৬জন ৫ নম্বর ওয়ার্ডে, ৫জন ৪ নম্বর, ৪জন ৩ নম্বর, দুজন করে ১ ও ২ নম্বর এবং ১ জন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী।

শিক্ষিতরা নির্বাচনবিমুখ হওয়ায় প্রার্থী হতে উৎসাহী হচ্ছেন না। তাই স্বল্পশিক্ষিত ব্যক্তিরা এত বেশি প্রার্থী হচ্ছেন বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহসভাপতি বাদল মাহমুদ।

সুজনের সহসভাপতি বলেন, শিক্ষা-সংস্কৃতিতে অগ্রসর একটি জেলা টাঙ্গাইল। সেখানে শিক্ষিত মানুষ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না। এটা শিক্ষিত মানুষের অভাবের জন্য নয়। শিক্ষিত মানুষের নির্বাচন করার পরিবেশ নেই। তাই তাঁরা এ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন