default-image

নীলফামারীতে এক নারীকে পাচারের মামলায় আলতাফ হোসেন (৬৬) ও তাঁর স্ত্রী নাজমা বেগমকে (৫৬) ছয় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। আজ বুধবার দুপুরে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালত-১–এর দায়রা জজ মো. তারেক আহসান ওই দণ্ডাদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আলতাফ হোসেন ও নাজমা বেগম রংপুর জেলা শহরের পায়রা চত্বর পুলিশ পাটি মোড় এলাকার বাসিন্দা। আসামিরা পলাতক থাকায় তাঁদের অনুপস্থিতিতে ওই রায় দেওয়া হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের পূর্ব বালাগ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের বিধবা মেয়ে ছাবিতন বেওয়াকে (২৫) পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে ২০০৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে নিজ বাসার গৃহকর্মী হিসেবে নিয়ে যান রংপুর শহরের পায়রা চত্বর পুলিশ পাটি মোড় এলাকার আলতাফ ও নাজমা দম্পতি।

বিজ্ঞাপন

এক মাস পর ছাবিতনের বড় ভাই জাহেদুল ইসলাম ওই বাড়িতে গিয়ে বোনের দেখা পাননি। এ সময় আলতাফ ও নাজমা তাঁকে (জাহেদুল) জানান, ছাবিতন আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গেছেন। এভাবে বারবার গিয়ে বোনের দেখা না পেয়ে ধারণা করেন, তাঁর (জাহেদুল) বোন ছাবিতনকে অন্যত্র পাচার বা বিক্রি করা হয়েছে। বোনকে না পেয়ে জাহেদুল ওই বছরের ১ জুন আদালতে মামলা করেন।
সরকারি পক্ষের স্পেশাল পিপি রমেন্দ্র নাথ বর্ধন বলেন, দীর্ঘ শুনানির পর মানব পাচারের বিষয়টি আলতাফ ও নাজমা দম্পতির বিরুদ্ধে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাঁদের ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। তাঁরা পলাতক থাকায় ওই দম্পতির অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন আদালত।

মন্তব্য পড়ুন 0