বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

র‍্যাব জানায়, প্রথমে দুই থেকে তিন লাখ টাকায় বিদেশ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে লোকজনকে বিপদে ফেলে আরও কয়েক লাখ টাকা আদায় করে থাকেন মিনহাজ। কিন্তু সমস্যার সমাধান করেন না। বিশেষ করে পাকুন্দিয়ার অসংখ্য মানুষকে অবৈধ প্রক্রিয়ায় দেশের বাইরে পাঠিয়ে বিপদে ফেলেছেন তিনি। এই সিন্ডিকেটের অনৈতিক কাজের কারণে অসংখ্য গরিব পরিবার এখন নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ভুক্তভোগীদের কয়েকজন মিনহাজের বিরুদ্ধে পাকুন্দিয়া থানায় মামলা করেছেন। একপর্যায়ে তাঁরা র‌্যাবের সহায়তা চান।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিনহাজের স্বীকারোক্তির বরাতে র‌্যাব জানিয়েছে, প্রথম দফায় তাঁরা তিন থেকে চার লাখ টাকা নেন। পরে বিদেশ মানব পাচার চক্রের হাতে তুলে দেন। পরে মানব পাচারকারী চক্র মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে থাকে।

র‍্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের কোম্পানির অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের বলেন, মিনহাজের কারণে অসংখ্য সাধারণ মানুষের জীবনে কঠিন বাস্তবতা নেমে এসেছে। তিনি একজন বড় মাপের মানব পাচারকারী। তাঁকে আটক করতে পারায় সিন্ডিকেটের অন্যদের সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। মিনহাজকে পাকুন্দিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন