বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার দুপুরে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান তাঁর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, ওই গৃহবধূকে (৩০) ঘুমের ওষুধমিশ্রিত কোমল পানীয় খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়। এরপর তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। স্বর্ণালংকার ও টাকাপয়সা লুট করার উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়।

গত শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ শহরের ভাড়া বাসা থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি গাজীপুর পুলিশ লাইনসে কর্মরত (বর্তমানে বরখাস্ত) এক কনস্টেবলের দ্বিতীয় স্ত্রী। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ভাস্কর সাহা বলেন, গতকাল ভোরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আঁখি মনিকে আশুলিয়ার কবিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাঁর দেওয়া তথ্যমতে বিভিন্ন স্থান থেকে বাকি তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান বলেন, পূর্বপরিচিত হওয়ায় নিহত গৃহবধূর বাসায় আসামি আঁখি মনির যাতায়াত ছিল। গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে গ্রেপ্তার চারজন গৃহবধূর বাসায় যান। গল্পগুজবের একপর্যায়ে আসামিরা কোমল পানীয়র সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে গৃহবধূকে অচেতন করেন। এরপর আসামি রিয়াজ তাঁকে ধর্ষণ করেন। এরপর দিবাগত রাত একটার দিকে আসামিরা তাঁর হাত, পা ও মুখ বেঁধে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জামিনুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যা করে স্বর্ণালংকার ও টাকাপয়সা লুট করার কথা স্বীকার করেন। দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে চার আসামিকে মানিকগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন