বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ থাকায় ১৫ সেপ্টেম্বরের পর থেকে বিদ্যালয়ের আসা বন্ধ করে দেয় সুবর্ণা ইসলাম। গত তিন ধরে তার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়। শনিবার দুপুরের পর থেকে তার শ্বাসকষ্ট, গলা ও বুকে ব্যথা বেড়ে গেলে জেলা সদরের মুন্নু জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকা নেওয়ার পথে সে মারা যায়। ওই ছাত্রীর করোনার নমুনা এখনো পরীক্ষা করা হয়নি।

জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) কাজী এ কে এম রাসেল বলেন, এক ছাত্রীর করোনায় আক্রান্তের খবর ছড়িয়ে পড়লে বুধবার রাতে বিদ্যালয়টির বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক তাঁদের সন্তানদের করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন।

মুন্নু জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মেয়েটির অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। সিটি স্ক্যান পরীক্ষার পর তার ফুসফুসে সংক্রমণ শনাক্ত হয়। তার রক্তে অক্সিজেনের মাত্রাও খুব কম ছিল। সংকটাপন্ন অবস্থা হওয়ায় তাকে দ্রুত রাজধানীর কুর্মিটোলা বিশেষায়িত হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দশম শ্রেণির এক ছাত্রী করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় শনিবার থেকে গতকাল বুধবার পর্যন্ত ওই শ্রেণির পাঠদান বন্ধ রাখা হয়। এরপর একই শ্রেণির ৫৮ শিক্ষার্থীর করোনা পরীক্ষায় কারও করোনা পজিটিভ ধরা পড়েনি। ফলে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ওই শ্রেণির পাঠদান চালু হয়েছে।

জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ বলেন, করোনার উপসর্গ নিয়ে ওই ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রাতেই লাশ দাফন করা হয়েছে। তবে তার করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন