বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় কয়েক বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘোস্তা জাহাঙ্গীরনগর গ্রামে একটি চায়ের দোকানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল জলিল নির্বাচনী কার্যালয় করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ওই নির্বাচনী কার্যালয়ে কয়েক কর্মী বসে নির্বাচনী আলোচনা করছিলেন। ওই সময় পাঁচ-ছয়টি মোটরসাইকেলে করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কর্মীরা সেখানে গিয়ে নির্বাচনী কার্যালয়ে থাকা চেয়ার ভাঙচুর ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন। সে সময় নির্বাচনী কার্যালয়ে থাকা তোতা মিয়া নামের এক কর্মীকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।

আবদুল জলিল বলেন, তাঁর কর্মী-সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী। গতকাল রাতে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর নির্দেশে তাঁর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করা হয় এবং তাঁর কর্মীকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর কর্মী-সমর্থকেরা আতঙ্কে রয়েছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় তাঁর কর্মী ও সমর্থকদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে টাঙানো তাঁর নির্বাচনী পোস্টার ছেঁড়া হচ্ছে। বিষয়টি তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তা, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী মহিদুর রহমান বলেন, গতকাল রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত তিনি ও তাঁর কর্মীরা অন্য এলাকায় (লেমুবাড়ি) দলের একটি বিশেষ বর্ধিত সভায় ছিলেন। ওই প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের বিষয়টি তাঁর জানা নেই। অন্য কোনো প্রার্থীর লোকজন ভাঙচুর করে থাকতে পারেন। বিদ্রোহী প্রার্থীর সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকবর আলী খান বলেন, খবর পেয়ে তিনিসহ আরও পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে যান। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী ও কর্মীদের আচরণবিধি মেনে চলতে এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। ওই প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ তিনি শুনেছেন। কেউ আচরণবিধি ভঙ্গ করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন