বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বেশ কিছুদিন ধরে রুবেল ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তাদের পারিবারিক কলহ বাড়তে থাকে। আজ ভোরে তাদের টিনের ছাপড়া থেকে গোঙরানির শব্দ শুনতে পান পাশের ঘরে থাকা রুবেলের স্বজনেরা। এরপর ঘরের বাইরে থেকে ডাকাডাকি করলে কেউ সাড়া দেননি। পরে ঘরের বাইরে থেকে দরজার শেকল খুলে ভেতরে গিয়ে মা ও দুই মেয়ের গলাকাটা লাশ দেখতে পান স্বজনেরা। এ সময় রুবেল ঘরে ছিলেন না।

খবর পেয়ে সকাল ৬টার দিকে ঘিওর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এর পরপরই ঘটনাস্থলে আসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিবালয় সার্কেল) নুরজাহান লাবণী ও ঘিওর থানার ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এরপর ময়নাতদন্তের জন্য লাশগুলো জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

রুবেলের চাচাতো ভাই শরীফুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় বানিয়াজুরী বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি ফার্মেসিতে কাজ করতেন রুবেল। সম্প্রতি তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এসব নিয়ে দাম্পত্য কলহ ছিল।

এ ঘটনার পর সকালে স্থানীয় লোকজন করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় রুবেলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গলা কেটে হত্যা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন