বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০০৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে লিপা তাঁর স্বামী ও ওই নারীর অনৈতিক কাজ দেখে ফেলেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে লিপাকে গলা টিপে হত্যা করেন জাকির।

পরে নিজের আড়াই বছরের শিশুকন্যা ঘটনাটি দেখে ফেললে জাকির ও তাঁর সহযোগী তাহমিনা আক্তার, স্বপন মিয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. হাসান, আমীনুর ইসলাম ও পারভেজ রানা মিলে শিশু জ্যোতিকেও গলা টিপে হত্যা করেন। এরপর ডাকাতির ঘটনা সাজান তাঁরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠায়।

ঘটনার পরের দিন লিপার পিতা আবু হানিফ বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ তাহমিনাসহ ওই দিনই বাকি পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করে। মামলার দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায় ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবদুস সালাম বলেন, রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ছয় আসামি উপস্থিত এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি অনুপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন