মামলার নথি থেকে জানা যায়, শত্রুতার জেরে ২০১২ সালের ১৫ অক্টোবর স্বরূপপুর গ্রামের বিমল মণ্ডল (৪০) নামের এক কাঠমিস্ত্রিকে মারধর করেন চন্দ্র লাল অধিকারীসহ তাঁর কয়েকজন সহযোগী। পরে গুরুতর আহত বিমলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনার পরের দিন নিহত বিমলের বাবা কুসাই মণ্ডল বাদী হয়ে চন্দ্র লাল, আবুল চন্দ্র রায় ও নিমাই চন্দ্র রায়কে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন। পরবর্তী সময়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামি চন্দ্র লাল অধিকারীর নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায় ১৪ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। শুনানি শেষে আজ আদালতের বিচারক আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে আবুল চন্দ্র রায় ও নিমাই চন্দ্র রায়ের জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী নিরঞ্জন বসাক ও আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন শিবেন্দ্র কুমার নাগ।