ঘুরে দাঁড়ানোর উপায় কী? এমন প্রশ্নে তুরফান বলেন, ‘এই কয়দিন মাছ মারতে (শিকার করতে) পারছি না। বাড়িঘর এখনো ডুইবা আছে। অখন অবশ্য পানি নামতে শুরু করছে। ঋণ-কর্জ কইরা ১৫ হাজার টাকা খরচ কইরা একটা জাইল্লা নাও (নৌকা) বানাইছি। একটু পর তেল (আলকাতরা) দিমু নাওয়ে। পানি আরেকটু কমলে মাছ ধরা শুরু করমু। সুদিন আবার ফিরাইমু।’

কথা শেষ হলে তুরফান উদ্দিন তাঁর সদ্য বানানো নৌকায় আলকাতরা দেওয়া শুরু করেন। সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক ঘেঁষে রাখা তাঁর নৌকায় আলকাতরা লাগাতে লাগাতে তিনি বলেন, মিস্ত্রি নৌকা তৈরি করে দিয়েছেন। এখন টাকা বাঁচাতে নিজেই আলকাতরা দিচ্ছেন। এ সময় কথায় কথায় তিনি বন্যার কারণে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বলেন, ‘আগে মুড়ির দর ৬০ টাকা কেজি আছিল, এখন ১০০-১৫০ টাকা কেজি। একটা বড় মোমবাতির দাম ৫ টাকা, এখন নেয় ১০-১৫ টাকা। গলাকাটা ব্যবসা চালাইছে কেউ কেউ! মানুষের বিপদে এমন দাম বাড়ানো ভালা না, কে বুঝাইত তারারে?’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন