বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলাটি করেছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মান্দা জোনাল অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক সিরাজুল ইসলাম। আসামির তালিকায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ৩০-৪০ জন। হামলায় আহত ব্যক্তিরা হলেন পল্লী বিদ্যুতের দেলুয়াবাড়ি উপকেন্দ্রের স্টেশন কর্মকর্তা নজমুল হক (৪০), অফিস সহকারী আনোয়ারুল কবির (৪০), লাইনম্যান আবু সুফিয়ান (৩৩), মহানুর ইসলাম (২২) ও গোলাপ হোসেন (২৪)।

স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, রোজার প্রথম দিন থেকে হঠাৎ করেই বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়ে গেছে। ইফতার, তারাবিহ ও সাহ্‌রির সময় ঘন ঘন বিদ্যুৎ-বিভ্রাট ঘটছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে বোরো ধানের খেতে সেচ কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের বিষয়ে বিভিন্নভাবে কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার মেলছে না।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মান্দা জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক শফিউল আলম বলেন, সিলেটের বিবিয়ানা গ্যাসফিল্ডে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলমান থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রগুলোতে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় তিন-চার দিন ধরে লোডশেডিং বেড়েছে। এ অবস্থায় লোডশেডিংয়ের অজুহাতে গতকাল রাত নয়টার দিকে দেলুয়াবাড়ি উপকেন্দ্রে হামলা চালান কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোক। হামলায় বাধা দেওয়ায় ওই উপকেন্দ্রে কর্মরত পল্লী বিদ্যুতের পাঁচজনকে মারধর করেন হামলাকারীরা। এ সময় সরকারি একটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান বলেন, দেলুয়াবাড়ি উপকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মান্দা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন