বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চিরকুমারী তুতুল বাহার ও তাঁর বড় বোন লুলুল বাহার মায়ের স্নেহ দিয়ে শিশুটিকে বড় করতে থাকেন। ভর্তি করানো হয় নামী স্কুলে। স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে ছোটন এখন নগরের একটি সরকারি কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে পড়ছেন। এর মধ্যে গত বছরের আগস্টে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান লুলুল বাহার। তিনিও ছিলেন চিরকুমারী। ছোটনের মায়ের মতোই।

ছোটনকে জিম্মায় নেওয়ার পর থেকে নীলফামারী গেছেন কয়েকবার তাঁর মা-বাবার সন্ধানে। কিন্তু পাননি।
তুতুল বাহার, আইনজীবী

একা হয়ে পড়েন ছোটন ও তুতুল বাহার। বড় বোনকে হারিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তুতুল বাহার। ছোটনের ঠিকানা, মা-বাবার পরিচয় জেনে যেতে চান তিনিও। ছোটনকে জিম্মায় নেওয়ার পর তাঁকে নিয়ে নীলফামারীসহ নানা জায়গায়ও গিয়েছেন তুতুল। তবে সন্ধান পাননি তাঁর মা-বাবার।

তুতুল বাহার প্রথম আলোকে বলেন, ছোটনকে জিম্মায় নেওয়ার পর থেকে নীলফামারী গেছেন কয়েকবার তাঁর মা-বাবার সন্ধানে। কিন্তু পাননি। তিনি এখন বেশ অসুস্থ। আর ছোটনও বড় হয়েছেন। নিজ থেকেই জানতে চান তাঁর শিকড় কোথায়।

পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বায়েজীদ প্রথম আলোকে বলেন, চিরকুমারী দুই বোন তাঁকে বুঝতে দেননি মা-বাবার অভাব। তিনি তাঁদের কাছে বেশ ভালো আছেন। কিন্তু আত্মপরিচয়ের গ্লানি থেকে মুক্তি চান।

বায়েজীদ বলেন, ‘জীবিত বা মৃত মা-বাবার পরিচয় জানতে পারলেও শান্তি পেতাম। অন্তত তাঁদের নাম হলেও জানতে চাই। মৃত্যুর আগপর্যন্ত সেই অপেক্ষায় থাকব। তবে প্রতীক্ষার প্রহর কবে শেষ হবে, জানি না।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন