বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, একটি খেত নিয়ে পিয়াসের সঙ্গে তাঁর বড় বোন প্রতিবেশী হেনা আক্তার (৩৩) ও দুলাভাই চনু ফকিরের (৪১) মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে ১৩ ডিসেম্বর বিকেলে পিয়াসের মা রুমেলা আক্তারের (৫০) সঙ্গে মেয়ে হেনা আক্তারের ঝগড়া হয়। এ সময় হেনার স্বামী চনু ফকিরসহ তাঁদের লোকজনও ঝগড়ায় জড়ান। বিষয়টি দেখে পিয়াস তাঁর মাকে ঝগড়া থেকে ফিরিয়ে আনতে যান। কিন্তু দুলাভাই চনু ফকিরসহ তাঁর লোকজনের অতর্কিত ছুরিকাঘাতে পিয়াস মারা যান। ঘটনার দিন রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিহত পিয়াসের বোন ও দুলাভাইকে আটক করে।

নিহত পিয়াস মিয়া (১৯) এবার আটপাড়া উপজেলার তেলিগাতি সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। ১৩ ডিসেম্বর জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে তাঁকে হত্যা করা হয়।

ঘটনার পরদিন রাতে নিহত পিয়াসের মা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এতে চনু ফকিরকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। কিন্তু পুলিশ চনু ফকির ও তাঁর স্ত্রী হেনা আক্তার ছাড়া কোনো আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

বাদীর ছেলে ও নিহত পিয়াসের বড় ভাই পলাশ মিয়া বলেন, ‘মামলা তুলে নিতে আসামি ও তাঁদের লোকজন আমাদের নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছে। আমরা এখন আতঙ্কে আছি। ১২ জন আমিদের মধ্যে মাত্র দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করছি।’

এদিকে মামলার অন্যতম আসামি হরিপুর গ্রামের মো. আলমগীর মিয়ার মা রহিমা আক্তার দাবি করেন, তাঁর ছেলে ওই ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া বাদীর পক্ষের লোকজন আলমগীরের বাড়িতে হামলা চালিয়ে আসবাব ভাঙচুর করেছেন। মামলা তুলে নিতে তাঁরা কাউকে কোনো হুমকি-ধমকি দেননি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সী বলেন, লিখিত অভিযোগটি এখনো হাতে পাননি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন