default-image

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল-৩-এর দায়ের করা মামলায় খালাস পেলেন সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের সাংসদ হাসিবুর রহমান ও দলিল লেখক আবদুর রশিদ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে শাহজাদপুর চৌকি আদালতের বিচারক আবু খান শাহিন আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় ১ নম্বর বিবাদী ছিলেন স্থানীয় সাবরেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের দলিল লেখক আবদুর রশিদ ও ২ নম্বর বিবাদী ছিলেন স্থানীয় সাংসদ হাসিবুর রহমান। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান ও বিবাদী পক্ষের আইনজীবী আবদুল হাই ও মতিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। বিবাদীপক্ষের আইনজীবী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ বিবাদীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারায় তাঁরা বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

সত্যের জয় হয়েছে
হাসিবুর রহমান, সাংসদ, সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর)

২০১৮ সালের ২৫ জুলাই অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল-৩ সিরাজগঞ্জের বিচারক বাদী হয়ে শাহজাদপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন। মামলায় বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার ও প্রতারণার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর জাল করে আমমোক্তারনামা প্রস্তুত করেছিলেন। এভাবে তাঁরা অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল-৩-এ বিচারাধীন মামলায় প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করেন।

বিজ্ঞাপন

প্রসঙ্গত, শাহজাদপুর পৌর এলাকার পুকুরপাড় মহল্লার বাসিন্দা অজয় লাল সরকার গং তাঁদের বসতবাড়ির ‘ক’ তফসিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তির ৩৫ শতক জমির মালিকানা দাবি করে তা দখলমুক্ত করার জন্য অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন। ২০১৪ সালের ৪ মে মামলা পরিচালনা ও তদবিরাদির জন্য নোটারি পাবলিক কার্যালয়ের হলফনামামূলে স্থানীয় সাংসদকে আমমোক্তার নিযুক্ত করেন। পরে আমমোক্তারনামার স্বাক্ষর ও মূল মামলার আরজির স্বাক্ষরে গরমিল পরিলক্ষিত হওয়ায় আদালত মামলাটি করেন।

শাহজাদপুর পৌর এলাকার পুকুরপাড় মহল্লার বাসিন্দা অজয় লাল সরকার গং তাঁদের বসতবাড়ির ‘ক’ তফসিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তির ৩৫ শতক জমির মালিকানা দাবি করে তা দখলমুক্ত করার জন্য অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন।

গত ২১ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে সেরেস্তাদার মোজাম্মেল হক খান ও আইনজীবী আবদুস সাত্তার মোল্লা সাক্ষ্য প্রদান করেন। ২৮ অক্টোবর মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।

রায় প্রসঙ্গে সাংসদ হাসিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সত্যের জয় হয়েছে।

মন্তব্য পড়ুন 0