বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই দিনই নগরের কোতোয়ালি থানায় মামলা নেওয়ার আবেদন করেন তিনি।
অহিদুল আলমের অভিযোগ, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা নেয়নি পুলিশ। পরে রোববার আদালতে তিন আসামির বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার আবেদন করা হয়। আদালত কোতোয়ালি থানা-পুলিশকে মামলা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

মামলার আরজিতে বলা হয়, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানায় গত বছরের আগস্টে মারামারিতে আহত হন তৌহিদুল আলম। ওই ঘটনায় ১০ জনকে আসামি করে মামলা করেন তৌহিদের বন্ধু আবু সুফিয়ান। মামলার তদন্ত শেষে দুজনকে আসামি রেখে বাকিদের বাদ দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সাতকানিয়া থানা–পুলিশ। আটজনকে আসামি তালিকা থেকে বাদ দেওয়ায় মঙ্গলবার আদালতে নারাজি আবেদন করে বাদীপক্ষ।

মামলায় আরও বলা হয়, আদালত থেকে বের হয়ে তৌহিদুল আলম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে এলে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় নারাজি আবেদন দেওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হয় তাঁর কাছে। তৌহিদুলের চিৎকারে আদালত প্রাঙ্গণে থাকা লোকজন জড়ো হলে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। ঘটনার পর আহত তৌহিদুলকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন