বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চমেকের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাহেনা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, মাহাদি এখন আরও একটু সুস্থ হয়েছেন। তিনি আজ উঠে বসেছেন। তবে তাঁর দীর্ঘ চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁকে এখনো আইসিইউতে রাখা হয়েছে, যাতে ভিড় এড়ানো যায়। বেশি ভিড় করলে ইনফেকশনের শঙ্কা আছে।

গত শনিবার ছাত্রলীগের একটি পক্ষের হামলায় মাহাদি গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে চমেক হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করা হয়। তাঁর মস্তিষ্ক ও মাথার খুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খুলির হাড়ের একটি অংশ কেটে আপাতত পেটের চামড়ার নিচে রাখা হয়েছে। মাহাদি আরেকটু সুস্থ হলে সেটা প্রতিস্থাপন করা হবে বলে চিকিৎসকেরা জানান। মাহাদি ছাত্রলীগের শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসানের পক্ষের সমর্থক। সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী ছাত্রলীগের অপর একটি পক্ষ তাঁর ওপর ক্যাম্পাসের সামনে হামলা করে বলে অভিযোগ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন