বিজ্ঞাপন

থানার পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার বাড়িতে দুপুরে খেয়ে নুর ইসলাম দোকানে যান। রাতে তিনি বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে পাননি। এ ঘটনায় আজ দুপুরে সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান তাঁর ছোট ভাই তৌহিদুল ইসলাম। সেখানে থাকা অবস্থায় পরিবারের লোকজন তৌহিদুলকে মুঠোফোনে জানান, নুর ইসলামের লাশ বাড়ির পাশে বাঁশঝাড়ের ভেতর মায়ের কবরের ওপর পড়ে আছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

বৈরাগীর হাটের নৈশপ্রহরী ওমর আলী জানান, শনিবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় নুর ইসলামের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল।

নুর ইসলামের মেয়ে নুর নেহার বলেন, ২০১৮ সালে পঞ্চগড়ের তেলিপাড়া গ্রামের হাবিবুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বনাবনি না হওয়ায় তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। কিছুদিন আগে তাঁর অন্য জায়গায় বিয়ে হয়। এরপর থেকে হাবিবুল্লাহ তাঁর স্বামী ও বাবাকে মুঠোফোনে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য চেষ্টা করেও হাবিবুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ কামাল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বলেন, হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন