বিজ্ঞাপন

ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে দুবলার বনকর্মীদের ব্যারাক, মসজিদ ও জেটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের পর দুবলার চরের আলোরকোলসহ কয়েকটি এলাকায় জোয়ারের সঙ্গে ভেসে এসেছে মৃত হরিণ। গতকাল রাত পর্যন্ত উদ্ধার তিনটি মৃত হরিণের মধ্যে একটির পেটে বাচ্চা ছিল।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদিন বলেন, স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানি অন্তত সাত–আট ফুট বেশি হয়েছে। এই পানিতে বনের প্রায় সব এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গত বছরের আম্পানের চেয়ে এবার জোয়ারে সুন্দরবনে এক থেকে দেড় ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হয়েছে। সুন্দরবনের চিত্রল হরিণ সাধারণভাবেই একটু চঞ্চল ও ভীরু প্রকৃতির হয়। এরা সাঁতরে বড় নদীও পার হয়ে যেতে পারে। তবে উঁচু জোয়ার ও বাতাসের মধ্যে আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে ছোটার সময় পানির তোড়ে হয়তো হরিণগুলো ভেসে গিয়ে মারা গেছে। পানির কারণে আরও বন্য প্রাণী মারা যেতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন