বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ৮ অক্টোবর নয়ন কুমার ৩ পুরিয়া হেরোইনসহ পুলিশের হাতে আটক হন। এ বিষয়ে কেশবপুর থানায় মাদকের একটি মামলা হয়। ওই মামলায় ২০১০ সালের ৩ মে যশোরের যুগ্ম ও জেলা জজ আদালতের বিচারক তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে নয়ন সাহা আপিল করেন। আজ আপিলের রায়ে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হলেও প্রবেশনের শর্তে এক বছরের জন্য মুক্তি দেওয়া হয়। প্রবেশনের এই সময় জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা শর্তভঙ্গ হচ্ছে কি না, তা তত্ত্বাবধান করবেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মাদকের মামলায় তিন বছরের সশ্রম সাজাপ্রাপ্ত আসামি নয়ন সাহা ১৭ বছর ধরে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। যে কারণে নতুন করে তাঁকে কারাগারে না পাঠিয়ে কয়েকটি ভালো কাজ করার শর্তে এক বছরের জন্য প্রবেশন দেওয়া হয়েছে।

মামলার রায় পড়ে শোনানোর সময় আসামি নয়ন কুমার সাহা আনন্দের কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি সব শর্ত প্রতিপালন করবেন এবং তাঁর মুরগির খামার পরিচালনা করে সৎ উপায়ে উপার্জন করবেন বলে আদালতকে প্রতিশ্রুতি দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি আলতাফ হোসেন বলেন, মাদকের মামলায় তিন বছরের সশ্রম সাজাপ্রাপ্ত আসামি নয়ন সাহা ১৭ বছর ধরে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তাঁর একপ্রকার সাজাভোগ হয়ে গেছে। যে কারণে নতুন করে তাঁকে কারাগারে না পাঠিয়ে কয়েকটি ভালো কাজ করার শর্তে এক বছরের জন্য প্রবেশন দেওয়া হয়েছে। শর্তভঙ্গ হলে আগের রায়ের তিন বছরের সাজা বহাল থাকবে জানিয়ে আসামিকে নতুন রায় পড়ে শোনানো হয়েছে। এ সময়ে জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা তাঁকে তত্ত্বাবধান করবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন