বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বন্য প্রাণী গবেষকদের সূত্রে জানা গেছে, পুরোনো গাছের খোঁড়লই গন্ধগোকুলের ছানা প্রসবের উপযুক্ত স্থান। কিন্তু পুরোনো গাছের সংখ্যা কমে গেছে। খোঁড়লের অভাবে গাছের ডালের ফাঁকে, পরিত্যক্ত ঘর, ইটের ভাটা, ধানের গোলা, তাল-সুপারির গাছের আগায় ছানা তুলে থাকে। ১০ থেকে ১২ দিনে ছানার চোখ খুলে। প্রায় ছয় মাসে ছানা সাবালক হয়ে ওঠে। গন্ধগোকুল একা থাকলেও প্রজননের সময় স্ত্রী-পুরুষ একত্রে থাকে। বছরে সাধারণত দুবার বাচ্চা দেয়। দুই মাসের কিছু বেশি সময় গর্ভধারণের কাল। গন্ধগোকুলের ইংরেজি নাম Asian palm civet। বৈজ্ঞানিক নাম Paradoxurus hermaphroditus। নিশাচর এই প্রাণী মূলত ফলখেকো। তবে কীটপতঙ্গ, শামুক, ডিম, বাচ্চা পাখি, ছোট প্রাণী, তাল-খেজুরের রস খেয়ে থাকে। খাদ্যের অভাব হলে মোরগ, কবুতরও চুরি করে খায়। ইঁদুর ও ফল-ফসলের পোকামাকড়ও খেয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) সূত্রে জানা গেছে, আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে গন্ধগোকুলের বাস। এটি এখন পৃথিবীর বিপন্ন প্রাণীর তালিকাভুক্ত।

বাংলাদেশ বন্য প্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব প্রথম আলোকে বলেন, ‘আরও মাসখানেক তাদের এভাবে রাখতে হবে। এখনো দাঁত ওঠেনি। নিজেরা খেতে সক্ষম হলে এগুলোকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করে দেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন