বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তৃতীয় ধাপে ফুলবাড়ি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন আবদুল আজিজ মণ্ডল বিশাল মিছিল নিয়ে নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তিনি নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। কারণ, নির্বাচন আচরণবিধি ২০১৬–এর ১১ নম্বর ১ ও ২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় মিছিল-সমাবেশ ও মহড়া করতে পারবেন না। সর্বোচ্চ পাঁচজনকে নিয়ে প্রার্থী নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। এ ছাড়া নির্বাচনপূর্ব সময়ে প্রার্থী কোনো প্রকার মিছিল কিংবা শোডাউন করতে পারবেন না।

মিছিল নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুল আজিজ বলেন, ‘আমরা কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করছি না। কারণ, অনেক প্রার্থীই মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসেছেন। তাঁদের সবার সঙ্গে নেতা–কর্মীরা ছিল। সবাই যে আমার লোক, বিষয়টি এমন না। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এসব কথা ছড়ানো হচ্ছে।’

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ওয়াজেদ আলী জানান, দৌলতপুর ইউনিয়নে মোট ভোটার ১১ হাজার ৩৭৬ জন। প্রার্থীরা ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শুরু করেছেন। ২ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রার্থীরা নির্বাচন কার্যালয়ের বাইরে হয়তো জমায়েত হন। কিন্তু কার্যালয় চত্বরে আমরা জমায়েতের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। এ ছাড়া নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করা হয়েছে।

দৌলতপুর ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুল আজিজ মণ্ডলের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় মিছিলের একটি ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। এতে দেখা যায়, তাঁর নেতা–কর্মী ও সমর্থকেরা নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে বিদ্যালয় মাঠে গানের তালে তালে নাচ করছেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাক্টরে চেপে নেতা–কর্মীরা এসেছেন বিদ্যালয় মাঠে। পরে মিছিল নিয়ে তাঁরা নির্বাচন কার্যালয়ের চত্বরে যান। সেখানে গিয়ে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন আবদুল আজিজ।

এই ইউনিয়নে আবদুল আজিজ মণ্ডলের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মো. সাইফুল ইসলাম ও সফিকুল ইসলাম। তবে রোববার পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দুজন। মুঠোফোনে সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গত দিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। সঙ্গে কয়েকজন নেতা–কর্মী ছিল। সরকারের আইন মান্য করেছি। কিন্তু আজকে যা দেখলাম, তাতে আচরণবিধি তো মানা হলো না।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন