বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোংলা কাস্টম হাউস জানায়, মঙ্গলবার বন্দরের ২ নম্বর ইয়ার্ডে থাকা খালাস না করা একটি কনটেইনার নিরীক্ষাকালে তারা অবৈধভাবে আনা ওই মদ দেখতে পায়। কুইক লাইম বা চুন (ক্যালসিয়াম অক্সাইড) ঘোষণা দিয়ে ঢাকার ফাহাদ ট্রেডিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান ওই কনটেইনার আমদানি করে। তবে পণ্য খালাসে বন্দর নির্ধারিত ৩০ দিন পার হওয়ার পরও দীর্ঘ সময়ে কনটেইনারটি খালাস করেনি ওই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

গত মার্চে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী এমভি কোটারিয়া জাহাজে করে মোংলা বন্দর দিয়ে ওই কনটেইনারটি আসে।
default-image

এ ধরনের খালাস না হওয়া পণ্যে নিলামে তোলার জন্য মোংলা বন্দরের ট্রাফিক বিভাগ থেকে কাস্টমসকে জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পণ্য ইনভেনটরি করার উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার কনটেইনার খুললে কুইক লাইম বা চুনের পরিবর্তে কার্টনভর্তি মদ দেখতে পায়।

একই সূত্র জানায়, গত মার্চে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী এমভি কোটারিয়া জাহাজে করে মোংলা বন্দর দিয়ে ওই কনটেইনারটি আসে।

মোংলা কাস্টম হাউসের যুগ্ম কমিশনার মো. মাহফুজ আহম্মেদ মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গণনা শেষে ওই কনটেইনারে থাকা ৮১৪টি পৃথক কার্টনে বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট ৯ হাজার ৭৬৮ বোতল বিদেশি মদ পাওয়া গেছে। এতে মোট ৮টি ব্র্যান্ডের মদ রয়েছে। এই ঘটনায় বাগেরহাটের মোংলা থানায় মামলা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন