default-image

২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতার ঘটনায় সে দেশের সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন শত শত রোহিঙ্গা। এসব রোহিঙ্গা কারাভোগ শেষে মুক্তি পেয়ে মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারের টেকনাফে অনুপ্রবেশ করছেন। গত কয়েক দিনে সাত রোহিঙ্গাকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) তাদের হেফাজতে নিয়েছে।

অবৈধভাবে আসা এমন দুজনকে গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরা শালবাগান ২৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চিহ্নিত করে হেফাজতে নেয় এপিবিএন। তাঁদের আজ বৃহস্পতিবার যেকোনো সময় উখিয়ার কুতুপালং ট্রানজিট ক্যাম্পের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হবে।

নতুন চিহ্নিত দুজন হলেন মিয়ানমারের মংডু শহরের বড় গজরবিলের কবির আহাম্মদ (৬০)। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী বেগম বাহার (৫০) জাদিমোরা শালবাগান রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের ব্লক বিতে বসবাস করছেন। অপরজন একই এলাকার মোহাম্মদ ফেডান (২২)। বর্তমানে তাঁর মা ফরিদা বেগম (৫০) একই আশ্রয়শিবিরে আছেন।

কক্সবাজার-১৬ এপিবিএনের কমান্ডিং কর্মকর্তা ও অধিনায়ক মো. তারিকুল ইসলাম তারিক প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে আরও দুজন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করে জাদিমোরা শালবাগান আশ্রয়শিবিরে আছেন, জানতে পেরে এপিবিএনের সদস্যরা অভিযান চালান। তাঁদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছ। ওই দুজন এপিবিএনকে বলেছেন, মুক্তি পেয়ে তাঁরা বাংলাদেশে পরিবারের কাছে চলে এসেছেন।

অধিনায়ক মো. তারিকুল ইসলাম তারিক বলেন, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি একজন, ২৫ ফেব্রুয়ারি দুজন ও ২৭ এপ্রিল দুজনকে একইভাবে হেফাজতে নেওয়া হয়। এ পর্যন্ত মোট সাতজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁরাও মিয়ানমারের সহিংসতার ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ শেষে মুক্ত হয়ে অবৈধভাবে টেকনাফে এসেছিলেন।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন