বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাহেদ ইকবাল চৌধুরীর কর্মী মো. মনজুর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, রোববার বিকেল ৪টায় মাইকযোগে প্রচার ও গণসংযোগের সময় ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিশ্চিন্তা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে প্রথম হামলার শিকার হন তাঁরা। সেখানে ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য জয়নাল আবেদিন ও বিনা ভোটে ইউপি সদস্য হতে যাওয়া মুন্না কিছু লোকজন নিয়ে মাইক ভাঙচুর করেন এবং তাঁকে চড়থাপ্পড় মারেন। পরে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে প্রার্থী জাহেদ ইকবাল চৌধুরী ও তাঁকে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেন।

মো. মনজুর হোসেন ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, সেখানে বাধা পেয়ে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারণায় গেলে মাহফুজুল হকের বাড়ির সামনে বজলুর সোবহান উচ্চবিদ্যালয়ের কাছে আরেকবার আক্রমণের শিকার হন তাঁরা। সেখানে প্রার্থী মাহফুজুল হকের ছেলে মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে কিছু লোক গাড়িতে লাগানো পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন, প্রচার মাইক ভাঙচুর করেন, প্রার্থীসহ কর্মীদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে পুলিশি পাহারায় তাঁরা স্থান ত্যাগ করেন।

জাহেদ ইকবাল চৌধুরী বলেন, ‘প্রচারণায় নামলে রোববার বিকেল ও সন্ধ্যায় মাহফুজুল হকের লোকজন আমাদের প্রচারণায় দফায় দফায় হামলা করেছেন। বিষয়টি আমি পুলিশকে জানিয়েছি। পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করেছে। আমি এ হামলার বিচার চাই এবং মাঠে নির্বাচনী প্রচারণার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করে দিতে প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাই।’

জানতে চাইলে মাহফুজুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘জাহেদ ইকবাল চৌধুরীর প্রচারণায় বাধা দেওয়ার কথা আমি শুনেছি। তবে আমি বা আমার কোনো কর্মী-সমর্থক এ কাজ করেননি। জেনেছি, চেয়ারম্যান পদে থেকেও গত ১০ বছর তিনি কোনো উন্নয়ন না করায় এলাকায় গেলে সাধারণ জনগণ খেপে গিয়ে এমনটি করেছেন।’

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান বলেন, ভোটের প্রচারণায় গিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহেদ ইকবাল চৌধুরী এলাকায় মানুষের প্রতিরোধের শিকার হয়েছেন, এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লিখিত অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন