বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার বিকেলে কাঁঠালতলী বাজার এলাকায় হনুমানটি মানুষের কাছাকাছি ঘুরতে দেখা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী কাঁঠালতলী বাজারের সার ব্যবসায়ী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সোমবার থেকে এই মুখপোড়া হনুমান কাঁঠালতলী বাজার ও এর আশপাশে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে। কাঁঠালতলী বাজারের প্রাচীন একটি রেইনট্রিগাছের মগডালে এবং পাশাপাশি বিভিন্ন উঁচু গাছের ডালে একে দেখা যায়। মাঝেমধ্যে খাবারের সন্ধানে নিচেও নেমে আসে। এলাকার লোকজন হনুমানটিকে কলা, বিস্কুট, পাউরুটি ছুড়ে দিচ্ছে। তবে কীভাবে কোথা থেকে এটি এলাকায় এসেছে, তা কেউ বলতে পারছে না।

সোমবার থেকে এই মুখপোড়া হনুমান কাঁঠালতলী বাজার ও এর আশপাশে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে। বাজারের প্রাচীন একটি রেইনট্রিগাছের মগডালে এবং বিভিন্ন উঁচু গাছের ডালে একে দেখা যায়।
default-image

মূলত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে মুখপোড়া হনুমানকে ‘পাতা বানর ও বলা হয়। Cercopithecidae গোত্রভুক্ত প্রাণীটির বৈজ্ঞানিক নাম Trachypithecus pileatus। এ দেশের তিন প্রজাতির হনুমানের মধ্যে এদের সংখ্যাই বেশি। বর্তমানে বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে এরা বিপন্ন বলে বিবেচিত।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস বলেন, মুখপোড়া হনুমান বৃক্ষচারী শান্তিপ্রিয় প্রাণী। চলাফেরা, ঘুম, খাবার সংগ্রহ, খেলাধুলা, বিশ্রামসহ সবকিছু এরা গাছেই করে থাকে। মূলত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে এই প্রাণী। উত্তরবঙ্গ থেকে হয়তো খাদ্যপণ্যবাহী ট্রাকে চড়ে হনুমানটি ভুলক্রমে চলে এসেছে।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. জহিরুল কবির শাহীন বলেন, ‘আমরা হনুমানটি দেখেছি। ওটাকে ধরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এই মুহূর্তে এলাকার লোকজনকে মুখপোড়া হনুমানটিকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. তানিয়া ফেরদৌস প্রথম আলোকে বলেন, ‘মুখপোড়া একটি হনুমান মির্জাগঞ্জের কাঁঠালতলী গ্রামে ঘোরাফেরা করার খবর পেয়েছি। হয়তো খাবারের সন্ধানে উত্তরাঞ্চল থেকে কোনো না কোনোভাবে এসেছে। এটির বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বন বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন