শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বংশীনগর গ্রামে চায়না আক্তারের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তাঁদের শোবার ঘর থেকে মাত্র ৩০ ফুট দূরে বাবার কবরের পাশেই চায়নার কবর। তাঁর বৃদ্ধা মা বাড়ির উঠানে বসে মেয়ের কবরের দিকে তাকিয়ে আছেন। ঘরের বারান্দায় বসে আছেন ছোট বোন রওশনারা আক্তার।

রওশনারা আক্তার জানান, প্রায় সাত বছর আগে তাঁদের বাবা মারা গেছেন। পাঁচ বোনের মধ্যে তিন বোনের বিয়ে হয়েছে। চায়না আর তিনি সুদে লোকজনকে টাকা দিতেন। এটিই অভাবের সংসারে একমাত্র আয়ের উৎস ছিল। টাকা আদায় নিয়ে অনেকের সঙ্গে কথা–কাটাকাটি হয়েছে। কিন্তু বড় ধরনের ঝগড়া কখনো হয়নি। তা ছাড়া মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চায়না সুদ বাবদ কারও কাছ থেকে টাকা পেতেন না। চায়নার মৃত্যুর ঘটনায় তিনি ওই ফুফাতো ভাইকে দায়ী করেন।

বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে তাঁরা ডেকেছিলেন। তবে কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। চায়না আক্তারের ওই আত্মীয়কে পুলিশের নজরে রাখা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন