বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যে কয়েক দিনের ভাতা সংশ্লিষ্টদের প্রদান ও কার্যক্রমে ব্যয় করা হয়েছে, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও সেভ দ্য চিলড্রেন থেকে বরাদ্দকৃত অর্থের মাধ্যমে করা হয়েছে বলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানিয়েছে। তবে এ পর্যন্ত সংস্থাগুলো কত টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন এ কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) ইজাজুল হক।

ইজাজুল হক বলেন, ‘কাজ করতে হবে, তাই পকেট থেকে টাকা দিয়ে ভাড়ায় লোক নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। বরাদ্দ পাওয়ার আশায় আছি। কবে পাব, তার ঠিক নেই। বিভিন্ন স্থানে টিকা পৌঁছে দিতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়িও ভাড়া করতে হচ্ছে।’

বরাদ্দের বিষয়ে ইজাজুল বলেন, ‘এ বিষয়ে তথ্য দেওয়ার আমি কেউ নই। স্যারদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। সিভিল সার্জন স্যারের নির্দেশে কাজ চালানো হচ্ছে। তিনি বলেছেন, টাকা এলে সবাই পাবে।’

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে করোনার টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে টিকাদান কার্যক্রম বাড়তে থাকে। মির্জাপুর পৌরসভাসহ উপজেলার সব ইউনিয়নের প্রতিটিতে ২৪টি করে ইপিআই কেন্দ্রে ২ মাসে ১৬ দিন (চক্র ধরে) টিকাদান কার্যক্রম চলে। জাতীয়ভাবে ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি উপজেলার ৫৪টি কমিউনিটি ক্লিনিক, ১৪টি পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলে টিকা কার্যক্রম। এই টিকা কার্যক্রমে ৩৯ জন স্বাস্থ্য সহকারী, ৩৯ জন পরিবার কল্যাণ সহকারী, ১২ জন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, ১০ জন স্যাকমো, ৪ জন স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ১৩ জন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ৩ জন পটার বহনকারী ও ১১৭ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করেন।

গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর সারা দেশের সঙ্গে মির্জাপুরে প্রথম ক্যাম্পেইন হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা এখন পর্যন্ত ভাতা পাননি। নভেম্বরে অনুষ্ঠিত ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়া তিন সুপারভাইজারের মধ্যে একজন ভাতা পেয়েছেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যাকমো মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই তিনি কাজ করছেন। টিকা দিয়েছেন মির্জাপুরের ভাওড়া ও জামুর্কী ইউনিয়নে। এ জন্য সম্মানী ভাতা পাবেন বলে আশার বাণী শুনে আসছেন।

অ্যাম্বুলেন্সচালক মো. আউয়াল খান বলেন, তিনি রোগী পরিবহন বাদ রেখে টাঙ্গাইল থেকে টিকা ও এ কাজে সংশ্লিষ্ট মালামাল আনা-নেওয়া করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো টাকা পাননি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, তিনি কিছুদিন আগে যোগদান করেছেন। তাঁর যোগদানের পর টিকা প্রদান কার্যক্রমের জন্য এক দিনের সম্মানী বাবদ কিছু টাকা পেয়েছিলেন। যা সংশ্লিষ্টদের পরিশোধ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন