বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় সাত মাস আগে সোহাগপুর গ্রামের খাইরুল ইসলামের মেয়ে সুমাইয়ার বিয়ে হয় দক্ষিণ আফ্রিকাফেরত সাইফুল ইসলামের সঙ্গে। প্রবাসে থাকাকালীন সাইফুল তাঁর উপার্জিত টাকা বাবার কাছে পাঠান। প্রায় এক বছর আগে তিনি দেশে ফেরেন। এরপর বিয়ে করেন। এর মধ্যে তিনি আর্থিক সংকটে পড়লে তাঁর বাবা তাঁকে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। একপর্যায়ে সাইফুলের স্ত্রী সুমাইয়া স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে চলে যান।

বৃহস্পতিবার রাতে সাইফুল ও সুমাইয়া একটি ঘরে এবং পাশের ঘরে তাঁর শাশুড়ি, শ্যালিকা ও নানিশাশুড়ি জয়নব বেগম ঘুমিয়ে ছিলেন। আজ সকালে ঘুমন্ত সুমাইয়াকে দা দিয়ে কোপাতে থাকেন সাইফুল।

এদিকে বাবার কাছে প্রতারিত হয়ে এক সপ্তাহ আগে সাইফুল শ্বশুরবাড়িতে থাকা শুরু করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সাইফুল ও সুমাইয়া একটি ঘরে এবং পাশের ঘরে তাঁর শাশুড়ি, শ্যালিকা ও নানিশাশুড়ি জয়নব বেগম ঘুমিয়ে ছিলেন। আজ সকালে ঘুমন্ত সুমাইয়াকে দা দিয়ে কোপাতে থাকেন সাইফুল। তাঁর আর্তনাদে নাসিমা বেগম ও শিমু আক্তার এগিয়ে গেলে সাইফুল তাঁদেরও দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। তাঁদের আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন এবং সাইফুলকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে।

এই ঘটনায় সুমাইয়ার নানি জয়নব বেগম বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় সাইফুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

মির্জাপুরের দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আইয়ুব খান জানান, সাইফুলকে কাল শনিবার টাঙ্গাইলের আদালতে পাঠানো হবে। তিনি কী কারণে ওই তিনজনকে কুপিয়েছেন, তা জানা যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন