default-image

মুন্সিগঞ্জ মীরকাদিম পৌরসভার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ চলছে। শান্তিপূর্ণ ভোটে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে ইভিএমে ভোট দিতে গিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন সাধারণ ভোটাররা।

আজ রোববার সকাল নয়টার দিকে মীরকাদিম পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের নুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভোটাররা ভোট দিতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কেন্দ্রের ভেতর কিছুক্ষণ পরপর একজন করে ভোটার প্রবেশ করছেন। তরুণ ভোটাররা তাঁদের ভোট সহজে দিতে পারলেও বয়স্ক ভোটাররা ভোট দিতে গিয়ে পড়ছেন নানা বিড়ম্বনায়। ইভিএমে কীভাবে ভোট দেবেন, তাঁরা জানেন না। বারবার তাঁদের বুঝিয়ে দিচ্ছেন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা।

কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ইভিএমে কীভাবে ভোট দিতে হবে ভোটের আগের দিন সাধারণ ভোটারদের তা দেখানো হয়েছিল। তবে সেখানে বয়স্ক ভোটার উপস্থিত ছিলেন না। তাই ভোট দিতে এসে তাঁরা কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। কীভাবে ভোট দিতে হবে, তা সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা বুঝিয়ে দিচ্ছেন।

একই সমস্যা দেখা যায় পৌরসভার দুই ও চার নম্বর ওয়ার্ডের কেন্দ্রগুলোয়। রিকাবীবাজার বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের তিনটি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটারদের দীর্ঘ সারি চোখে পড়ে। পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের রিকাবীবাজার বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের পুরুষ ভোটারদের তিন নম্বর ভোটকক্ষে ইভিএমে আঙুলের ছাপ দেওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। আঙুলের ছাপ দিলেও ভোটারদের নাম ও ছবি আসছিল না।

বিজ্ঞাপন

ওই কক্ষে ভোট দিতে আসা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও আনোয়ার হোসেন জানান, ইভিএমে ভোট এর আগে তাঁরা কখনো দেননি। সকাল থেকে ভোট দিতে এসে কয়েক দফা আঙুলের ছাপ দিয়েছেন। কিন্তু ছবি ও নাম আসছে না। তিন ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকার পর তাঁরা বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

উটপাখি প্রতীকের পোলিং এজেন্ট রতন মিয়া বলেন, সকাল থেকে ভোট দিতে এসে ১৫ থেকে ২০ জন এ সমস্যায় পড়েছেন। তাঁরা কয়েকবার হাত ধুয়ে এসেছেন। অপেক্ষা করেছেন। শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেও আঙুলের ছাপের মাধ্যমে তাঁদের ছবি আসেনি। তাই তাঁরা ভোট দিতে পারেননি। কয়েকজন ভোট না দিয়ে রাগ করে বাড়ি ফিরে গেছেন।

কেন্দ্রটির সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এস এম সাইফুল্লাহ বলেন, ভোটাররা কয়েকবার চেষ্টা করেছেন। আঙুলের ছাপের মাধ্যমে পরিচয়পত্র ও নম্বর না আসায় ভোট না দিয়ে কয়েকজন চলে গেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন