বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম শিকদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আতিকুর রহমান মিয়া, সিনিয়র সহসভাপতি আশরাফ আলী, প্রচার সম্পাদক জাহিদুর রহমান, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হায়দার হোসেন প্রমুখ।

বহিষ্কারাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ২ নভেম্বর স্বাক্ষরিত চিঠির নির্দেশনা অনুযায়ী, চলমান ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে যাঁরা বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন, তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১২ নভেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই তিন নেতাকে স্ব-স্ব কমিটি থেকে অব্যাহতি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই বহিষ্কারাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে।

বহিষ্কার হওয়া সালাউদ্দীন মিয়া বলেন, ‘আওয়ামী লীগ থেকে যাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে, তিনি যোগ্য নন। আমি প্রার্থী হওয়ায় নিয়মবহির্ভূতভাবে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তা ছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের এখতিয়ার নেই আমাকে বহিষ্কার করার।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন