বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর বিকেলে পীরগাছার পরান গ্রামের আবদুর রহিমের মেয়ে রিয়া আক্তারকে বাড়ির সামনে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। এরপর রিয়াকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রেখে রিয়ার বাবার কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। রিয়া নিখোঁজের পর আবদুর রহিম প্রথমে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত তিন থেকে চারজন আসামি করে আবদুর রহিম পীরগাছা থানায় মামলা করেন।

২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি মামলার আসামি রাসেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে রাসেলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সালাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পরান এলাকার এক টয়লেট থেকে রিয়ার বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে সালাউদ্দিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, মুক্তিপণের জন্য জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে রিয়াকে তাঁরা অপহরণ করেন। পরে মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে তাঁরা রিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ টয়লেটে রেখে দেন।

২০১৪ সালের ২২ জুন ওই দুজনসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পীরগাছা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান। এরপর মামলার ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।

রায়ের বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে সরকারি কৌঁসুলি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মামলার দুই আসামি যত দিন বেঁচে থাকবেন, তত দিন তাঁদের কারাবন্দী থাকতে হবে। তবে মামলার এক আসামি সালাউদ্দিন বর্তমানে পলাতক। তিনি গ্রেপ্তার হলে গ্রেপ্তারের দিন থেকেই তাঁর সাজা কার্যকর হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন