বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় বক্তারা বলেন, শামসুদ্দিন আহমদ, শ্যামল কান্তি লালাসহ অন্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সে সময় যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। এ সময় তাঁরা ব্লাড ব্যাংকের পাশাপাশি তৈরি করেছিলেন বিশেষ চিকিৎসক দল। ১৯৭১ সালের ৯ এপ্রিল হাসপাতালে আক্রমণ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নৃশংসভাবে অন্তত সাতজনকে হত্যা করে। ইতিহাসে এটি প্রথম কোনো হত্যাকাণ্ড, যেখানে কর্তব্যরত অবস্থায় চিকিৎসক, নার্সসহ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হত্যা করা হয়। কিন্তু স্বাধীনতার ৫১ বছর পরও স্বীকৃতি পাননি অকুতোভয় সেই মানবতার যোদ্ধারা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট নাগরিক মৈত্রীর আহ্বায়ক সমর বিজয় সী শেখর। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল-আজাদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাজিয়া চৌধুরী, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আইডিয়ার নির্বাহী পরিচালক নাজমুল হক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিলেট বিভাগের সমন্বয়ক আনোয়ার হোসেন, আইনজীবী মনির উদ্দিন, কিডনি ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক ফরিদা নাসরিন প্রমুখ।

এদিকে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের পক্ষ থেকে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের অধীক্ষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান ভুইয়া, আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জ্যেষ্ঠ কনসালট্যান্ট খালেদ মাহমুদ, মো. আবদুল কাইয়ূমসহ চিকিৎসক, নার্স ও অন্য কর্মচারীরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন