বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা গেছে, ধরপাকড় এড়াতে দিনের চেয়ে রাতেই সিলেট নগরীর বিভিন্ন মোড় ও হাটে পাখি কেনাবেচা হয়। ছয়টি বকের দাম হাঁকা হয়েছিল ১ হাজার ৬০০ টাকা। সরাফত আলী নামের ওই বক বিক্রেতা জানান, তিনি মোরগ বিক্রেতাদের মাধ্যমে শিকারিদের কাছ থেকে ছয়টি বক কিনে বিক্রির জন্য মদিনা মার্কেট এলাকার হাটে বসেছিলেন। দিনের চেয়ে রাতে কেনাবেচায় দাম পাওয়া যায় জানিয়ে ওই বিক্রেতার ভাষ্য, বক শিকার ও কেনাবেচা নিষিদ্ধ এ বিষয়টি তিনি জানতেন না।

বাপা সিলেটের সাধারণ সম্পদক আবদুল করিম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, শীত আসার আগে পাখি শিকার ও কেনাবেচা সিলেট নগরীতে চলে। খবর পেলে বন বিভাগ কিংবা পুলিশকে নিয়ে তাঁরা পদক্ষেপ নেন। এ অবস্থায় নগরীতে দিনের বেলা পাখির কেনাবেচা অনেকটা নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। তবে রাতের সুযোগে এ রকম কেনাবেচার ঘটনাটি প্রথম দেখা গেল। এ ব্যাপারে পুলিশসহ বন বিভাগকে তাৎক্ষণিক অবহিত করা হয়েছে।

মদিনা মার্কেট এলাকাসহ নগরীর ব্যস্ততম কিছু মোড় ও হাটে খবর নিয়ে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর মোরগের আড়ত থেকে পাখির কেনাবেচা চলে। দিনের বেলা ধরপাকড় এড়াতেই রাতকে বেছে নেওয়া হয়েছে। নগরীর কেন্দ্রস্থলের বন্দরবাজার, টিলাগড়, শিবগঞ্জ, কদমতলী, শাহি ঈদগাহ, আম্বরখানা ও চৌদিদেখি এলাকায় রাতে পাখি কেনাবেচা হয় বলে জানা গেছে। অবশ্য এই সময়ে সাদা বক ও কানি বক কেনাবেচা বেশি হয়।

পাখি শিকার ও কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের একটি মনিটরিং টিম নগরীতে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করে বলে জানা গেছে। এই দলের সদস্য বন বিভাগের টাউন রেঞ্জার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, সাধারণত সকালে ও দুপুরে পাখি কেনাবেচা হয় এবং খবর পেয়ে তাঁরা ওই দুই সময়ে অভিযান চালান। কিন্তু রাতে কেনাবেচা হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। মদিনা মার্কেট এলাকার ওই ঘটনার সূত্র ধরে রাতেও নজরদারি চালানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন