default-image

১৯৭১ সালে যে পথ দিয়ে ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে অস্থায়ী সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে জাতীয় চার নেতা আসেন, ওই সড়ক সরকার স্বাধীনতা সড়ক নামে নামকরণ করতে চলেছে। ২৬ মার্চ সড়কটির উদ্বোধন করা হবে বলে জানান স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

শনিবার হেলিকপ্টারে করে মেহেরপুরের মুজিবনগরে এসে সড়কটি প্রর্দশন করার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে সড়কটি আমাদের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে। স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারত আমাদের অভূতপূর্ব সাহায্য করেছে। তারা এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করি। আমাদের দুঃসময়ে যাঁরা পাশে ছিলেন, তাঁদের যেমন আমরা স্মরণ করি, তেমন গুরুত্ব দিয়ে দেশের মানুষকেও স্মরণ করি। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২৬ তারিখে বাংলাদেশে আসবেন এবং ২৬ বা ২৭ তারিখে সড়কটির উদ্বোধন করবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী আমাদের অংশের সড়কের কাজ আমরা করব এবং তাদের অংশের কাজ তারা করবে। ইতিমধ্যে আমাদের অংশের কাজ আমরা শেষ করেছি।’

বিজ্ঞাপন

এর আগে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এবং জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে বেলা সাড়ে ১১টায় মেহেরপুরে মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। এ সময় পর্যটন মোটেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁদের গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। গার্ড অব অনার শেষে তাজুল ইসলাম এবং ফরহাদ হোসেন মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুস্তবক অর্পণ করেন এবং স্বাধীনতা সড়ক ঘুরে দেখেন। উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান, মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন সরকার, মুজিবনগর থানার ওসি আবদুল হাশেম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, মুজিবনগর থেকে কলকাতা পর্যন্ত স্বাধীনতা সড়ক নির্মাণ করছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। ১ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশের অংশের ৫০০ মিটার রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন