বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের একাডেমিক সুপারভাইজার আনোয়ার হোসেন বলেন, আল মামুন নামের এক পরীক্ষার্থী পরীক্ষা চলাকালে ওয়াশরুমে যাওয়ার কথা বলে পরীক্ষার কক্ষ থেকে বের হয়ে বারান্দায় এসে পকেট থেকে মুঠোফোন বের করে কথা বলছিলেন। এ সময় তিনি মুঠোফোনটি জব্দ করেন। এরপর আরেকটি কক্ষে ঢুকে দুই পরীক্ষার্থীকে বইয়ের পাতা ছিঁড়ে দেখে লেখার সময় হাতেনাতে ধরেন। পরে ওই তিন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছেন।

সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের কেন্দ্রসচিব রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উপজেলার ৪টি কলেজের ১ হাজার ৮ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২৫১ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। আজ সকালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিদ্যা প্রথমপত্র ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের হিসাববিজ্ঞান (নীতি ও পদ্ধতি-২) দ্বিতীয়পত্র বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বহিষ্কার হওয়া আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘কেন্দ্রে প্রবেশের সময় আমার বডি কেউ চেক করেনি। ফলে ফোনটি কোথাও রেখে আসার সুযোগ না পাওয়ায় পরীক্ষার সময় ফোনটি পকেটেই ছিল। ওয়াশরুমে যাওয়ার সময় এক বন্ধুর ফোন এলে তাঁকে শুধু বলেছি—“আমি এখন পরীক্ষার হলে, পরে ফোন দিস।’ এরই মধ্যে আমার মুঠোফোন জব্দ করা হয় এবং আমাকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়। আমি কোনো নকলও করিনি বা কারও খাতা দেখেও লিখিনি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন