বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহত লায়লা জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার এলাকার ওমেদ আলীর স্ত্রী। লায়লা ও তাঁর সন্তান বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই গৃহবধূ বেশ কিছুক্ষণ ধরে রেললাইনের পাশে বসে মুঠোফোনে কারও সঙ্গে ঝগড়া করছিলেন। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আচমকা তিনি ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনটিও দাঁড়িয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন দৌড়ে গিয়ে তাঁদের গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনের পরিচালক আল আমিন খান মুঠোফোনে বলেন, স্টেশন থেকে ট্রেনটি ছাড়ার তিন মিনিটের মধ্যে এমন ঘটনা দেখে চালক ট্রেন থামিয়ে ফেলেন। এ সময় গতি কম ছিল বলে তাড়াতাড়ি থামানো সম্ভব হয়েছে। তারপরও ওই গৃহবধূ ইঞ্জিন কোচের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছেন আর শিশুটি লাইনের ওপর ছিটকে পড়ে যায়।

পঞ্চগড় সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, ওই গৃহবধূর সঙ্গে থাকা মুঠোফোনের মাধ্যমে তাঁর স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরে তাঁর স্বামীসহ স্বজনেরা পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে আসেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুসহ ওই গৃহবধূকে পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পরই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন