বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নানা সোলায়মানের সঙ্গে গ্রামের পুকুরে মাছ ধরে ইয়াকুব। সন্ধ্যা সাতটার দিকে সোলায়মান সিগারেটের জন্য ইয়াকুবকে দোকানে পাঠান। দোকানে যাওয়ার পথে গাছ থেকে আম পেড়ে দেওয়ার কথা বলে ইয়াকুবকে একই গ্রামের রুবেল মিয়া তাঁর বোনের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে মোবাইল চুরির অভিযোগ তুলে রুবেল মিয়া ও তাঁর সহযোগী বাবুল মিয়া, শাহিন মিয়া ও মান্নান মিয়াসহ ৬-৭ জন মিলে ইয়াকুবের হাত-পা বেঁধে মারধর ও নির্যাতন করেন।

এ ঘটনায় ইয়াকুবের নানি আরুজা বেগম বাদী হয়ে ৬-৭ জনকে আসামি করে বিজয়নগর থানায় রোববার রাতে মামলা করেন।

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান শুরু করা হয়। মামলা নথিভুক্ত হওয়ার আগেই ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়। পরে শিশুটির নানি বাদী হয়ে ৬-৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। আটক তিনজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন