বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সমাজসেবা অধিদপ্তর জানায়, তারা নম্বরগুলোতে টাকা পাঠালেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত চলে যাচ্ছে। পরে খোঁজ নিয়ে তারা জানতে পারে, মুঠোফোন নম্বর হালনাগাদ করার সময় ভুল নম্বর তালিকাবদ্ধ হওয়ায় এ সমস্যা হচ্ছে।

বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের বাসিন্দা আইয়ুব আলী জানান, একই সমস্যার কারণে তিনি গত ১৮ মাসের ভাতা পাননি। স্থানীয় ইউপি কার্যালয়ে গেলে তারা শুধু আশ্বাস দেয়, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু ঠিকঠাক আর হয় না।

পইল ইউনিয়নের ফুলবাড়ির তাহেরা খাতুন জানান, তিনি দরিদ্র মাতৃত্বকালীন তিন বছরের ভাতার আওতাভুক্ত হন ২০১৬-১৭ অর্থবছরে। প্রথম দেড় বছর ভাতা পেলেও শেষ দেড় বছর কোনো ভাতার টাকা পাননি।

বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া ইউপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ও নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউপির চেয়ারম্যান ইজাজুর রহমান জানান, ইউনিয়নে প্রায় ৫০০ মানুষ একই সমস্যায় পড়েছেন। প্রায় সময়ই তাঁরা পরিষদে এসে ভিড় করেন। তাঁরা দ্রুত এই ভুল সংশোধনের দাবি জানান।

জানতে চাইলে হবিগঞ্জ সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালকের দায়িত্বে থাকা সহকারী পরিচালক সিরাজুম মনির আফতারী প্রথম আলোকে জানান, হবিগঞ্জের প্রায় তিন হাজার মানুষের মুঠোফোন নম্বর হালনাগাদ করতে গিয়ে ভুল নম্বর লিপিবদ্ধ হয়েছে। এ কারণে এ সমস্যা তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে। শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে। ইতিমধ্যে অর্ধেক ভুল নম্বর সংশোধন করা হয়েছে। বাকিগুলো সংশোধিত হলে সবাই আগের মতো ভাতা পেয়ে যাবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন