বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত ব্যক্তির ভাগনে নিজাম ব্যাপারী বলেন, ‘আমার ছোট ভাই মফিজউদ্দিন ব্যাপারী দিঘিরপার বাজার থেকে চরপাড়া পর্যন্ত ভাড়ায় ট্রলার চালায়। দিঘিরপার বাজার থেকে চর বেহের পাড়া এলাকায় আসতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগে। জনপ্রতি ভাড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা। কেউ রিজার্ভ করে এলে কমপক্ষে ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিলই ইউপি ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রিয়াজুল ইসলাম আমার ভাইয়ের ট্রলারে ওঠেন। ওই সময় তিনি মফিজউদ্দিনকে যাত্রী না নিয়ে ট্রলার চালাতে বলেন। এলাকায় এসে আমার ভাইকে তিনি ১০০ টাকা ভাড়া দেন। আরও ভাড়া দাবি করলে  মফিজউদ্দিনকে চড়, থাপ্পড় ও ঘুষি মারেন রিয়াজুল।’

নিহত ব্যক্তির ভাগনে নিজাম ব্যাপারী আরও বলেন, ‘বাড়িতে এসে বিষয়টি আমাদের ও আমার মামা আলীম সরকারকে জানান মফিজউদ্দিন। আমার মামা এ ঘটনার বিচার চেয়ে চিৎকার করতে থাকেন। ঘটনাটি শুনতে পেয়ে রিয়াজুল ইসলাম তাঁর লোকজন নিয়ে দুপুর ১২টার দিকে আমাদের বাড়িতে হামলা চালান। সে সময় আমার ভাই, তাঁর স্ত্রী ও আমাদের পেটানো হয়। মামা আলীম সরকার আমাদের রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাঁকে কিল-ঘুষি-লাথি দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন হামলাকারীরা। একপর্যায়ে তাঁরা তাঁকে মাটিতে ফেলে পা দিয়ে মাড়াতে থাকেন। মামাকে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই বেলা দুইটার দিকে তিনি মারা যান।’

এ ঘটনার পর থেকে ইউপি সদস্য রিয়াজুল পলাতক। এ কারণে চেষ্টা করেও ওই বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্যের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাজীব খান সন্ধ্যা পৌনে ছয়টায় প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি জানার পর পুলিশ সেখানে যায়। এ ঘটনার পর থেকে ইউপি সদস্য পলাতক। লাশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন