বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুড়াখাল বাইতুন নুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ইমামের সামনে সানি আজান দেওয়া হয়। গত শুক্রবার মসজিদের দরজায় সানি আজান দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। শুক্রবারও দরজায় সানি আজান দিতে গেলে প্রতিবাদ করেন মসজিদ কমিটির সহসভাপতি হাবিব খান। একই সঙ্গে তিনি মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল মালেকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান। এই সময় একদল লোক ছুরি, রামদা, লোহার রড, টেঁটা, লাঠিসোঁটা নিয়ে নিরীহ মুসল্লিদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এতে আহত হন ১১ জন।

প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যক্তিদের মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সক হানিফ খানকে (৪৩) মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ওই গ্রামের আবদু খানের ছেলে। গুরুতর আহত ইমন খান (২৫) ও খায়ের সরকারকে (৪০) উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহত হানিফ খান মা, স্ত্রী ও চার শিশুসন্তান রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রী আফরোজা বেগম বলেন, ‘আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই।’

বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, জুমার নামাজের সময় সানি আজান মসজিদের ভেতরে ও বাইরে দেওয়া নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত শাহীন ভুইয়া নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। ্মএ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন