বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পাউবো ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত রোববার রাতে মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে পুরোনো দুটি ভাঙন স্থান ছাড়াও জয়পুর গ্রামে বাঁধের আরও একটি স্থানে ভাঙনের সৃষ্টি হয়। ফলে তিনটি স্থান দিয়ে প্রবল বেগে পানি ঢুকে ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়। গ্রামগুলো হচ্ছে ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের জয়পুর, পশ্চিম ঘনিয়ামোড়া, পূর্ব ঘনিয়ামোড়া ও কিসমত ঘনিয়ামোড়া, দক্ষিণ দৌলতপুর ও উত্তর দৌলতপুর।

এর আগে গত ২৫ আগস্ট এবং ১ জুলাই টানা বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি পানির চাপে মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে ওই গ্রামগুলো দুই দফায় প্লাবিত হয়েছিল।

ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌসী বেগম জানান, বন্যার পানিতে প্লাবিত এলাকার লোকজনের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এভাবে কিছুদিন পরপর বাঁধ ভেঙে গ্রামে বন্যার পানি ঢুকে মানুষ ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মজমুত বাঁধের কোনো বিকল্প নেই।

ফেনী জেলা পরিষদের সদস্য ও বন্যাকবলিত কিসমতমোড়া গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভাঙন স্থান মেরামতে পাউবো কর্মকর্তাদের তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগ করেছেন। সঠিক তদারকি হলে কাজের মান আরও ভালো হতো বলে মনে করেন তিনি।

ফুলগাজী উপজেলা কৃষি বিভাগের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা লুৎফুল হায়দার ভুঁঞা বলেন, উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম বন্যাকবলিত হওয়ায় সদ্য আবাদ করা রোপা আমন ও সবজি এখনো পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। পানি না নামা পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপন করা সম্ভব নয়।

পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আক্তার হোসেন মজুমদার জানান, উজানে আর বৃষ্টি না হলে ও পাহাড়ি ঢলের পানির চাপ না থাকলে দ্রুতই পানি সরে গিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। পাউবো কর্মকর্তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ছোট ভাঙন স্থানগুলো মেরামতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন