বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চতুর্থ ধাপে গত ২৬ ডিসেম্বর গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের ১৫ দিন পর তিনি এ অভিযোগ করেন।

ওই নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৭২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন আনোয়ার হোসেন। এ ছাড়া আনোয়ার হোসাইন নামের এক প্রার্থী ৩৯৯ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হন। অভিযোগকারী এখলাছ উদ্দিন পান ৩৮৯ ভোট। ব্যালটে ত্রুটি থাকায় ৪৫২টি ভোট বাতিল করা হয়। এখলাছ উদ্দিনের অভিযোগ, ভোট বাতিল করার মাধ্যমে কারচুপির আশ্রয় নেওয়া হয়।

এখলাছ উদ্দিন বলেন, দিন শেষে তাঁদের হিসাবমতে মোট ১ হাজার ৫১২ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। কিন্তু সদস্য পদে ফলাফলের হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, মোট ১ হাজার ৯৬৪ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, যেটি মোটেও বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাঁকে পরাজিত করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এমন ভুল পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে।

এখলাছ উদ্দিন আরও বলেন, ভোটের এমন অস্বাভাবিক প্রয়োগ দেখার পর তিনি ভোটার তালিকায় থাকা ২ হাজার ৪০ ভোটারের মধ্যে মারা যাওয়া, প্রবাসী, সরকারি ও বেসরকারি চাকরির কারণে নির্বাচনের দিন অনুপস্থিত থাকা এবং নির্বাচনের দিন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য অনুপস্থিত থাকা ভোটারদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এতে তিনি অন্তত ৫২ জন মৃত এবং প্রবাসী ও চাকরির কারণে অনুপস্থিত থাকা আরও অন্তত ৩০ জনের নামের তালিকা করেন। তাতে দেখা যায়, অন্তত ৮০ জন ভোট দিতে আসেননি। অথচ ফলাফলে দেখা গেছে, মাত্র ৭৬ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেননি। ভোট পুনর্গণনার দাবিতে দেওয়া লিখিত আবেদনে তিনি এসব বিষয় উল্লেখ করেছেন।

এখলাছ উদ্দিন আরও বলেন, যদি ২ হাজার ৪০ ভোটের মধ্যে ১ হাজার ৯৭৬ জন ভোট দেন, তাহলে মৃত, প্রবাসী ও পেশাগত কারণে গ্রামের বাইরে থাকা ব্যক্তিরাও ভোট দিয়েছেন। কিন্তু এটি কীভাবে সম্ভব?

গৌরীপুর ইউপি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজিমুল ইসলাম বলেন, এখলাছ উদ্দিনের অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি তিনি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন।

৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওই ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন মো. জয়েন উদ্দিন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ভোট গ্রহণে বা গণনায় কোনো অনিয়ম হয়নি। চেয়ারম্যান পদেও সমানসংখ্যক ভোট পড়ে। তবে সদস্য পদের ৪৫২টি ভোট ত্রুটি থাকায় বাতিল হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন