এই কমিটি ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সালমান রহমান নামে ছাত্রদলের এক কর্মী। ফেসবুকে মৃত জাহিদুলের ছবি ও ইউনিয়ন কমিটির তালিকা পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, নওমালা ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটি দিয়েছে অদক্ষ ও অসাংগঠনিক বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব। এ কারণে এক মাসের বেশি সময় আগে মৃত জাহিদুলের নাম রয়েছে সহসভাপতির তালিকায়।

জাহিদুলের বাবা আবদুল মোতালেব হাওলাদার বলেন, ‘জাহিদুল ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। কিন্তু সে তো মারা গেছে এক মাসের বেশি হয়েছে। তাহলে এক মাস পরে কীভাবে আমার ছেলের নাম নতুন কমিটিতে এল, এই প্রশ্ন আমারও।’

বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম ওরফে ঝুরন। তাঁর ভাষ্য, কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ না রেখে ঘরে বসে দল করলে যা হয়, তা–ই হয়েছে।

মৃত জাহিদুলের নাম কমিটিতে রাখার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মুজাহিদুল। যুক্তি দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘জাহিদুল বিএনপি পরিবারের ও আমাদের সংগঠনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। এ কারণে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কমিটিতে তাঁর নাম রাখা হয়েছে। যাঁরা কমিটিতে জায়গা পাননি, তাঁরাই আমাকে অদক্ষ ও অসাংগঠনিক বলছেন।’

কমিটি অনুমোদন দেওয়া অপর নেতা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মিজানুরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। একপর্যায়ে ফোন রিসিভ করে তাঁর ছোট ভাই পরিচয় দিয়ে একজন বলেন, ‘ভাইয়া এখন ফোনের কাছে নেই।’

এ বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শফিউল বাশার ওরফে উজ্জ্বল। মুঠোফোনে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জেনেছি। শ্রদ্ধা ও সম্মানার্থে মৃত ব্যক্তির নাম কমিটিতে রাখার কোনো সুযোগ নেই। এ বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন