বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এমদাদুল হক বলেন, এর আগে ৩ জানুয়ারি সন্দ্বীপ চ্যানেলে একটি ২০০ কেজি ওজনের বিশালাকৃতির শাপলাপাতা (শংকর) মাছ ধরা পড়ে। পরে সেটিকে ৪২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এই বিষয়গুলো তদারকির দায়িত্ব বন বিভাগের বন্য প্রাণী বিভাগের।

সীতাকুণ্ড ও সন্দ্বীপের মৎস্য বিভাগে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হাঙর, শাপলাপাতা মাছ, ডলফিনসহ বিলুপ্ত প্রজাতির প্রাণীদের সংরক্ষণের দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বন বিভাগকে। কিন্তু তাদের কোনো ধরনের ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। ফলে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না। এসব ক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগের পক্ষে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয় না।

বন্য প্রাণী সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রামের রেঞ্জ কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, শাপলাপাতা মাছ ও হাঙর ধরা সম্পূর্ণ বেআইনি। কেউ এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।

বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রামের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, শাপলাপাতা মাছ ও হাঙর ধরার বিষয়টি তিনি জানতেন না। কারণ, উপকূলীয় অঞ্চলে তাঁদের কোনো কার্যালয় নেই। তবে তাঁদের এসব বিষয়ে সহযোগিতা করা কথা উপকূলীয় বন বিভাগের। তারাও বিষয়টি জানায়নি। তিনি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে জানাবেন। এ ছাড়া এ ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন চাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে পারেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন