বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আইয়ুব ও শহীদ নিহতের ঘটনায় ২৮ অক্টোবর মামলা হয়েছে। শহীদের মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে ভৈরব থানায় হত্যা মামলা করেন। আইয়ুব হত্যা মামলাটি হয় আশুগঞ্জ থানায়। বাদী হয়েছেন আইয়ুবের স্ত্রী আকলিমা বেগম। দুটি মামলাতে ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, নিহত আইয়ুব ও শহীদ পেশাদার ডাকাত ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ভৈরব, আশুগঞ্জসহ আশপাশের থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা আছে। তাঁরা একে অপরের ঘনিষ্ঠ। অন্য লাশের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

ভৈরব নৌ থানা-পুলিশ জানায়, শনিবার সর্বশেষ উদ্ধার হওয়া লাশটির গলার বেশির ভাগ অংশ কাটা। সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন। তিন দিন আগে তিনি খুন হয়ে থাকতে পারেন। আইয়ুবের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা আছে। কয়েকবার জেলও খাটেন তিনি। শহীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে। এক বছর আগে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগও করেছেন।

হত্যারহস্য উদ্‌ঘাটন না হওয়ায় দুই পরিবারের সদস্যরা পুলিশের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অপরাধজগতের সঙ্গে আইয়ুব ও শহীদের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করছে না দুই পরিবারের কেউ। তবে তাদের দাবি, সর্বশেষ কয়েক বছর ধরে তাঁরা স্থানীয় একটি ইটভাটায় নৈশপ্রহরীর কাজ করতেন। তবে এক বছর আগে শহীদ চাকরি ছেড়ে দিয়ে ঢাকায় চলে গিয়েছিলেন। কোনো একজনের সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা থেকে এসে শহীদ খুন হন।

শহীদের মা ফিরোজা বেগম বলেন, ‘কারা খুন করতে পারে, পুলিশকে ধারণা দিয়েছি। আশা করি আমাদের ধারণা নিয়ে এগোলে রহস্য বের হয়ে আসবে। কিন্তু পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে ধরতে পারেনি। এতে খুনিরা পার পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।’

নিহত আইয়ুব খানের স্ত্রী আকলিমা বেগমের ভাষ্য, ‘খুনিদের বের করা এত কঠিন হওয়ার কথা নয়। কারণ, আমরা সাহায্য করছি। কিন্তু কেন জানি সবকিছু অতি ধীরে হচ্ছে। এই বিলম্ব খুনের রহস্য আড়াল করতে সাহায্য করবে।’

ভৈরব নৌ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রাসেল মিয়া বলেন, মামলা হতে দেরি হয়েছে। তবে লাশ দুটির পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই অনেক দিক মাথায় রেখে এগোনো হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে খুব বেশি সময় নিতে হবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন