বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাবনূর প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাবা অসুস্থ। একটু সুস্থ হলে দিনমজুরের কাজ করেন। মা বাসাবাড়িতে কাজ করে আমাদের পাঁচ সদস্যের সংসার চালান। আমার ছোট বোন দশম শ্রেণিতে পড়ে। ছোট ভাই সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। পড়াশোনার খরচ ও সংসার চালাতে গিয়ে মা এনজিও থেকে অনেক ঋণ করেছেন। এখনো মাঝে মধ্যে অনাহারে থাকতে হয় আমাদের। এখন আমি মেডিকেলে ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ কীভাবে চালাব তা নিয়ে চিন্তিত।’

সাবনূরের মা সাবিনা বেগম বলেন, মেয়ে মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে এ জন্য তাঁরা সবাই খুশি। কিন্তু সাবনূরের পড়াশোনার খরচ কীভাবে চলবে সে চিন্তায় মুখে হাসি আসে না। কদিন পর পর এনজিও লোকজন কিস্তির টাকার জন্য বাড়িতে আসেন। এসব নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় আছেন তাঁরা।

বাবা বাবুল মোল্লা বলেন, ‘সাবনূর অভাবের মধ্যে থেকে ভালো ফলাফল করছে। আমি সুস্থ থাকলে হয়তো ছেলেমেয়েদের এত কষ্ট করতে হতো না।’

শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘প্রতিবন্ধকতা সাবনূরকে দমাতে পারেনি। চেষ্টা ও মেধার কাছে দারিদ্র্য হার মেনেছে। সাবনূরের স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হওয়ার। আমিসহ শিক্ষকেরা তাঁকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করেছি। মেয়েটি যাতে মেডিকেলে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা শেষ করতে পারে সে জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন