বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর গাংনী উপজেলার রেজাউল হক তাঁর নতুন ইটভাটার কাজ শুরুর জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরে রাতে তাঁর বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে তৎকালীন গাংনী পৌরসভার ওয়ার্ড কমিশনার আলী আজগরের ইটভাটা থেকে তিন শ গজ দূরে একটি মেহগনিগাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে দেখতে পান স্বজনেরা। খবর পেয়ে গাংনী থানার পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রেজাউল হকের স্ত্রী হাসিনা বানু বাদী হয়ে ১২ জনের নামে গাংনী থানায় মামলা করেন। ১২ আসামির মধ্যে ৪ জন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গাংনীর র‍্যাব–৬ উপপরিদর্শক বাবুল আদালতে ১২ জনের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি কাজি শহীদ এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মিয়াজান আলী, ইব্রাহিম শাহীন, শফিকুল আলম ও রমজান আলী।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন